পোস্টগুলি

এপ্রিল, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হঠাৎ করে বৃষ্টি এলে - রূপবালা সিংহ রায় // বৃষ্টির কবিতা // বাংলা কবিতা// Bristir Kobita ।

ছবি
  হঠাৎ করে বৃষ্টি এলে রূপবালা সিংহ রায় তপ্ত বুকে হঠাৎ করে বৃষ্টি এলে, ভালোই লাগে... ঘনধারা পাগল করা দস্যি মেয়ে  হঠাৎ করে দৌড়ায় সে মেঘের সাথে  পায়ে পায়ে পাল্লা দিয়ে আসে ধেয়ে। অভিমানী অশ্রু ধারা বইতে থাকে  তারই মাঝে হুংকারে সে গর্জে ওঠে  গাছপালারা দুলতে থাকে ভীষণ দোলায় ... ঝড়ের সাথে সাথে যেন তারাও ছোটে । ভয় পেয়ে যায় সূর্যটাও একটুখানি  কেমন যেন তারই পিছে লুকিয়ে পড়ে! আড়াল থেকে দেখতে থাকে সকল কিছু  বাইরে থাকা মানুষ কেমন ফিরছে ঘরে। কেউবা আবার একটু খানি জলের ধারায়  হাতের সাথে হৃদয় খানা নিচ্ছে ধুয়ে  স্থির হয়ে আর একজনা ফেলছে শ্বাস  মনটা কেমন যাচ্ছে পুড়ে, কালো হয়ে।  এরই মাঝে দামাল ছেলে দৌড়ে এসে  কাদা জলে গা মিশিয়ে খেলা করে  পাগলি মেয়ে দুহাত তুলে নাচতে থাকে বাঁচতে যে চায় এই জগতে প্রাণটি ভরে...

রাঙিয়ে দিয়ে যাও - রূপবালা সিংহ রায়// বাংলা গল্প// দোলের গল্প// Bengali Romantic Love Story//Love Story//ভালোবাসার গল্প।

  রাঙিয়ে দিয়ে যাও রূপবালা সিংহ রায় স্কুলে ছুটির ঘন্টা পড়তেই বেশ একটু ইচ্ছাকৃতভাবে, তড়িঘড়ি করে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিল তনুজা । তাড়াতাড়ি বেরিয়ে না পড়লে মেঘনা, তিয়াসা, অনুরাধা আবার ধরে ফেলবে রং মাখানোর জন্য। গতকালই তো মেঘনা বলছিল- ছুটির পরে অপেক্ষা করিস সবাই স্কুল মাঠে রং খেলা হবে। তাই শুনে তিয়াসা বলেছিল - তুই তো এক্ষুনি বাচ্চাদের গিয়ে বলে এলি, আগামীকাল যেন ক্লাসে রং না নিয়ে আসে। আর তুই নিজেই নিয়ে আসবে টিচার হয়ে! মেঘনা রাগ দেখিয়ে বলেছিল - এই বেশি বকিস না তো। বাচ্চারা কি দেখতে যাবে আমরা কি করছি, না করছি? ছুটির পর সব বাচ্চারা যখন বেরিয়ে যাবে তখন খেলবো। আর তুই কি ভাবলি ওরা রঙ আনবে না? নিশ্চয়ই আনবে আর লুকিয়ে রাখবে সেটা। তারপর স্কুল গেটের বাইরে গিয়ে কি করবে সেটা দেখিস। আমরা তো আর ওদের মতো রাস্তায় গিয়ে রং খেলতে পারবো না তাই স্কুল মাঠটাই শ্রেয়। আর তাছাড়া অত ভাবিস না তো প্রিন্সিপাল ম্যামের সঙ্গে কথা হয়ে গেছে আমার। অন্যান্য স্যার ম্যামেরাও থাকবে সেখানে। বেশ মজা হবে- এসব বলতে বলতে মেঘনা এসে ধরেছিল তনুজাকে। তনুজা, মেঘনা, তিয়াসা আর অনুরাধা প্রায় সমবয়সী বলেই ও...

অভিমান - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প // বাংলা ছোট গল্প // Bangla Golpo //Bengali short story।

  অভিমান রূপবালা সিংহ রায় রোদ ঝলমলে মিষ্টি একটা সকাল। মাঝেমধ্যে জানালা দিয়ে আসছে মৃদুমন্দ শীতল বাতাস। গতকালের তুলনায় গরমটা আজ একটু কমই আছে। কদিন যা গরম পড়ছে কে বলবে এটা বসন্তকাল! ঘেমে নিয়ে একাকার হবার যোগাড়। যেন মনে হচ্ছিল গ্রীষ্মের কাঠফাটা কোনো এক দুপুর। আজকের এই মনোরম পরিবেশ আর সেইসঙ্গে দূরের কৃষ্ণচূড়া গাছটা থেকে ভেসে আসা কোকিলের মধুর কুহুতান মনটাকে ফুরফুরে করে দিয়ে গেল বিতানের। তার ওপর সোনায় সোহাগা হল অফিস নেই আজ। সারাদিন বাড়ি থাকা যাবে। আরামের সঙ্গে সঙ্গে একটু সময়ও কাটানো যাবে শুভ্রার সাথে। কিন্তু তার তো পাত্তাই নেই তাহলে কি আমায় একা ফেলে চলে গেল মর্নিং ওয়াকে? পুরো বাড়িটা কেমন যেন নিস্তব্ধ। বাড়িতে থাকলে তার আওয়াজ তো পাওয়া যেত। ভাবনার ফাঁকে একবার তাকিয়ে নেয় সে ঘড়ির দিকে। বেলা তখন আটটা। নিশ্চয়ই একা একা চলে গেছে। সেদিন বললাম-- ভাবছি এবার থেকে একটু শরীর চর্চা করব। জিমে গেলে কেমন হয়? ও বলেছিল -- অত জিমে গিয়ে টাকা খরচ করে লাভ নেই। তার থেকে বরং আমার সঙ্গে মর্নিং ওয়াকে চলো। শরীর চর্চা হবে পাশাপাশি মনটাও ভালো থাকবে। আর সেই সঙ্গে আমাকেও সময় দেওয়া হয়ে যাবে। সত্...

বোঝাপড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর//Bojhapora//বোঝাপড়া কবিতা//মনেরে আজ কহ যে //বোঝাপড়া।

ছবি
 বোঝাপড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনেরে আজ কহ যে, ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে। কেউ বা তোমায় ভালোবাসে কেউ বা বাসতে পারে না যে, কেউ বিকিয়ে আছে, কেউ বা সিকি পয়সা ধারে না যে, কতকটা যে স্বভাব তাদের কতকটা বা তোমারো ভাই, কতকটা এ ভবের গতিক-- সবার তরে নহে সবাই তোমায় কতক ফাঁকি দেবে তুমিও কতক দেবে ফাঁকি, তোমার ভোগে কতক পড়বে পরের ভোগে থাকবে বাকি, মান্ধাতারই আমল থেকে চলে আসছে এমনি রকম-- তোমারি কি এমন ভাগ্য বাঁচিয়ে যাবে সকল জখম! মনেরে আজ কহ যে, ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে। অনেক ঝঞ্ঝা কাটিয়ে বুঝি এলে সুখের বন্দরেতে, জলের তলে পাহাড় ছিল লাগল বুকের অন্দরেতে, মুহূর্তেকে পাঁজরগুলো   উঠল কেঁপে আর্তরবে-- তাই নিয়ে কি সবার সঙ্গে ঝগড়া করে মরতে হবে? ভেসে থাকতে পার যদি সেইটে সবার চেয়ে শ্রেয়, না পার তো বিনা বাক্যে টুপ করিয়া ডুবে যেয়ো। এটা কিছু অপূর্ব নয়, ঘটনা সামান্য খুবই-- শঙ্কা যেথায় করে না কেউ সেইখানে হয় জাহাজ-ডুবি। মনেরে তাই কহ যে, ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে। তোমার মাপে হয় নি সবাই তুমিও হও নি সবার মাপে, তুমি মর কারো ঠেলায়              ...

জীবনে সবসময় সবকিছু পারফেক্ট হয়না // Bangla Motivation // Life Quotes // Bangla Kobita.

ছবি
জীবনে সবসময় সবকিছু পারফেক্ট হয়না।  রূপবালা সিংহ রায়....🖋️ জীবনে সবসময় সবকিছু পারফেক্ট হয়না। মানিয়ে নিতে হয় অনেক কিছুই। চওড়া হাসিটা ক্ষীণ হতে হতে কোথায় যে মিলিয়ে যায় তার আর কোনো হদিস পাওয়া যায় না। তবুও হাসতে হয়, লোক দেখানো হাসি। তবুও বাঁচতে হয় এই আশায়, যদি একদিন সব ঠিকঠাক হয়। তবুও মন হাজার কাজের মাঝে স্বপ্নে পাড়ি দেয় সেই স্বপ্নের জগতে যেটা হয়তো সারা জীবন অবাস্তবই থেকে যাবে....

অনুশোচনা // বাংলা গল্প // Bengali Story // Bangla Choto Golpo ।

  অনুশোচনা রূপবালা সিংহ রায় হঠাৎ ঘুম ভাঙতেই পাশে শ্রাবণীকে দেখতে না পেয়ে চমকে উঠে বসে পড়ল ঋদ্ধিমান। সবে ভোরের আলো ফুটবে ফুটবে করছে। জানালার পর্দাটা সরিয়ে দেখল চারিদিক না অন্ধকার না তেমনভাবে পরিষ্কার। মনের মধ্যেটা এখনো পর্যন্ত অজানা এক আতঙ্কে অস্থির। কি যে একটা স্বপ্ন দেখছিল ঠিক করে মনে করতে পারছে না সে। তবে তা যে ভয়ানক কিছু একটা নিয়ে ছিল সে ব্যাপারে সে নিশ্চিত। হঠাৎ মাথায় এলো ওয়াশরুমে নেই তো? উঠে গিয়ে দেখল ওয়াশরুমটা। না! ছিটকানিটা তো বাইরে থেকেই লাগানো আছে। তবুও মনের সন্দেহখানা দূর করার জন্য খুলে দেখলো একবার। না নেই সে সেখানে। উঁকি মারলো রান্নাঘরে।তারপর ঘুরে এলো বাচ্চাদের ঘরটাও। সেখানেও নেই সে। তাহলে এত সকাল সকাল কোথায় গেল ও? -- ভাবতে ভাবতে সোফায় বসে পড়ল সে। তারপর ঘাড় ঘুরিয়ে একবার তাকিয়ে নিল মেইন দরজাটার দিকে। না, ছিটকানিটা তো উপরেই তোলা আছে। একটা নিশ্চিন্তের ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল তার সমগ্র অঙ্গ প্রত্যঙ্গ জুড়ে। তাহলে নিশ্চয়ই দাঁড়িয়ে আছে ব্যালকনিতে। ভেবে আস্তে করে উঠে সে ব্যালকনিতে যাওয়ার দরজাটা খুলে গেল সেখানে। তারপর মৃদু পায়ে গিয়ে দাঁড়ালো শ্রাবণীর পাশে। ততক...

বাংলা গল্প//নববর্ষের গল্প//Bangla Golpo//Bengali Story//Bangla Choto Golpo ।

পয়লা বৈশাখের ভুড়িভোজ রূপবালা সিংহ রায়  ধুর ! কেউ সংসার করে ! সংসার এমন হয় জানলে কে করতো বিয়ে শুনি ? একে তো গিন্নির জ্বালায় জর্জরিত , তারপর চৈত্র মাস শেষ হতে না হতেই ভ্যাপসা গরম । জীবনখানা জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে এক্কেবারে - আপন মনে ভাবতে ভাবতে বিরক্তি ভাবে এক হাতে বাজারের ব্যাগ আর অন্য হাতে ছাতাটা নিয়ে বাড়ি ফিরছেন আশুতোষ বাবু । বয়স এই পঁয়ষট্টির কাছাকাছি । দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে । এখন সংসারে মানুষ বলতে তিনি আর তার স্ত্রী । রিটায়ারমেন্টের পেনশনে এতে তাতে করে বেশ চলছে তাদের সংসার । এমনিতেই স্বভাবে বেশ শান্ত প্রকৃতির মানুষ তিনি । সাত কথায় এক কথা বলেন । খুব সহজে তাঁর মাথা গরম হয় না । কিন্তু আজ তিনি বেজায় রকম চটে আছেন । সকাল বেলা বাজারে আসার সময় গিন্নিকে বলেছিলেন -" আজ পয়লা বৈশাখ , তো অল্প করে একটুখানি মটন নিয়ে আসি । দুজনে মিলে খাব"। তা শুনে গিন্নি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে বললেন - "বয়স হচ্ছে সে খেয়াল আছে । তিন দিন আগে যখন মেয়ে জামাই এলো খেলে তো তখন মটন" । আশুতোষ বাবু সবে বলতে যাচ্ছিলেন -"সে তো এক টুকরো । কি হয় তাতে" ? তার কথা শেষ হওয়...

বাংলা গল্প// নববর্ষের গল্প// Bangla Golpo//Bangla Premer Golpo//Bengali Romantic Love Story//Love Story ।

  নবীন বরণ রূপবালা সিংহ রায়...🖋️ শর্বরীকে এমন অবস্থায় দেখে বুকের মধ্যেটা পুড়ে খাঁক হয়ে যাচ্ছে তিমিরের । আজ প্রায় ছয় বছর পর দেখা তার সাথে । শেষ যেদিন দেখা হয়েছিল সেদিনের কষ্টটার থেকে আজকের কষ্টটা যেন একশো গুণ বেশি । সেদিন একটা শূন্যতা ছিল ঠিকই তবুও নিজেকে সামলে নিয়েছিল শর্বরীর সুশীল মুখে অফুরান হাসির ছটা দেখে । আজও কানে বাজে শর্বরীর বলা শেষ কথাখানা -" কি গো তিমিরদা কেমন দেখলে আমার বরকে" ? সেদিন ছিল পয়লা বৈশাখ , সেইসঙ্গে শর্বরীর বিয়েও । মামাতো বোনের মুখে কথায় কথায় শর্বরীর বিয়ের কথা শুনে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি তিমির । প্রায় ঊর্ধ্বশ্বাসের ছুটে গিয়েছিল মামা বাড়িতে । ছোটবেলায় বারবার মামাবাড়ি যাওয়ার বায়নার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল শর্বরী । মামার বাড়ির পাশের বাড়িতে থাকতো শর্বরীরা । এখানে এলে মামাতো ভাই , বোন আর শর্বরীর সঙ্গে খেলা করত সে । খেলার ছলে কখন যে শর্বরীকে ভালো লাগতে শুরু করেছিল তা সে নিজেই বুঝতে পারেনি । পরে সে ভালোলাগা ভালোবাসাতে পরিণত হয় । কিন্তু শর্বরীকে তা কখনো বলা হয়ে ওঠেনি । আজ বলি কাল বলি করে না বলাই রয়ে গেল । একটু বড় হওয়ার পর ছুটিছাটাতে...

বাংলা গল্প// ছোট গল্প// Bangla Golpo// Noboborshoer Golpo// Bengali Story ।

  ভালো মানুষ রূপবালা সিংহ রায় আজ বাদে কাল পহেলা বৈশাখ। নতুন বছরের আগমন নিয়ে সবার মধ্যে কত উৎসাহ। বিশেষ করে যাদের টাকা-পয়সা আছে তাদের। যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় তাদের জীবনে কি আর অত উৎসব আসে। তাদের কাছে বছরের শেষ দিনটা যেমন বছরের প্রথম দিনটাও ঠিক তেমনি। চিন্তার ভাঁজ কপালে নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা খেটে মরতে হয়, ছেলেপুলেদের মুখে দুটো ভাত তুলে দেওয়ার জন্য। তেমনি একজন দিন আনা দিন খাওয়া ঘরের ঘরনি হল শম্পা। তাদের বাস কলকাতা নামকরা এক ঘিঞ্জি বস্তির এক টুকরো কুঁড়ে ঘরে। ছোট ঘরে থাকলেও স্বপ্নটা তার বিশাল বড়। তার স্বপ্ন তার মেয়েদের নিয়ে। সে চায় না তার মেয়েরা তার মত করে জীবন অতিবাহিত করুক। সে চায় তারা বড় হয়ে বড় ঘরের মেয়েদের মতো ভালো জায়গায় চাকরি করুক, আর সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচুক। তাই সে তাদেরকে ভর্তি করেছে একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে। খুব একটা নামকরা না হলেও পড়াশোনা মন্দ হয় না। তাই তার স্বামী আর সে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে তাদের পড়াশোনা করার টাকা পয়সা জোগাড় করার জন্য। বড় মেয়েটাকে পড়াতে তেমন কষ্ট হচ্ছিল না কিন্তু এবছর ছোটটাকেও ভর্তি করাতে গিয়ে বেশ হিমশিম খেতে হয়েছ...

নববর্ষের কবিতা// নতুন বছরের কবিতা//Noboborshoer Kobita//Notun Bochorer Kobita//Bengali New Year Poetry ।

ছবি
  এসো নতুন রূপবালা সিংহ রায় এসো নতুন সমারোহে নতুন হর্ষে নতুন রঙে দাও ভুলিয়ে সকল ব্যথা  মনের যত মলিনতা।   কান্না গুলো গিয়ে ভেসে  দুঃখী যারা উঠুক হেসে  রুদ্ধ কারার দবারটি খুলে  স্বপ্ন উড়ুক ডানা মেলে... একলাপনটা যাক না দূরে  সঙ্গী সবাই আসুক ফিরে  জীর্ণতা পাক প্রাণটি আবার  দূর হোক সব হাহাকার। এসো নতুন নতুন করে  পুরানোটার হাতটি ছেড়ে  দাও রাঙিয়ে সকল ধূসর  ওগো নতুন হাও আগুসর।

নববর্ষের কবিতা//নতুন বছরের কবিতা//বাংলা কবিতা//Noboborshoer kobita//Notun Bochorer Kobita//Bengali poetry//Bengali New Year Poetry

ছবি
  এসো নতুন রূপবালা সিংহ রায় এসো নতুন সমারোহে  নতুন হর্ষে নতুন রঙে দাও ভুলিয়ে সকল ব্যথা  মনের যত মলিনতা।   কান্না গুলো গিয়ে ভেসে  দুঃখী যারা উঠুক হেসে  রুদ্ধ কারার দবারটি খুলে  স্বপ্ন উড়ুক ডানা মেলে... একলাপনটা যাক না দূরে  সঙ্গী সবাই আসুক ফিরে  জীর্ণতা পাক প্রাণটি আবার  দূর হোক সব হাহাকার। এসো নতুন নতুন করে  পুরানোটার হাতটি ছেড়ে  দাও রাঙিয়ে সকল ধূসর  ওগো নতুন হাও আগুসর।

নতুন বছরের গল্প//বাংলা গল্প// এসো হে বৈশাখ এসো এসো//Bangla Golpo//Bengali Story ।

ছবি
  এসো হে বৈশাখ এসো এসো     রূপবালা সিংহ রায় -- বাবান, এই বাবান। উঠবি তো, তানাহলে গায়ে জল ঢেলে দেবো কিন্তু ছোটবেলাকার মতো।  -- মা, তুমি না বড্ড জ্বালাও! কি হয়েছে বলবে একটু দয়া করে। আর ভাল লাগে না, ধূর! কেন দিনকে দিন আমার ঘুমের শত্রু হয়ে উঠছো বলতে পারো? আর তাছাড়া এত সকাল সকাল উঠে কি রাজ কার্য করব আমি শুনি এই ছুটির দিনে? -- চল ওঠ। আর উঠে তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নে। -- কেন, সেটা তো বলবে? -- আমি অতশত বলতে পারবো না। যা বলছি তাই কর দেখি, দেরি হয়ে যাচ্ছে। -- আমি কি করব তাতে? তোমরা দেখছি একটু শান্তি দেবে না আমায়! বিয়ে বিয়ে করে মাথাটা গেছে দেখছি তোমাদের! কোথায় ভাবলাম রবি,সোম, মঙ্গল পর পর তিনদিন ছুটি একটু মনের সুখে বেলা পর্যন্ত ঘুমাবো তা নয় রবি সোমটা মেয়ে দেখতে যাওয়ার চক্করে ঘুমটা নষ্ট করলে আমার। আজ মঙ্গলবার তার ওপর পয়লা বৈশাখ এই দিনটাতেও নিস্তার দেবে না। -- না দেবো না। ওঠ তো এবার ঝটপট করে। -- না উঠবো না। তোমরা যাও। কানা খোঁড়া যাকে পছন্দ করবে তাকেই বিয়ে করবো। যাও তো আর জ্বালিও না আমায় বলে মায়ের দিকে এক ঝলক তাকিয়ে আর্য সময় দেখার জন্য চোখ রাখল মোবাইল স্ক্রিনে। স...

বসন্ত বিরহ- রূপবালা সিংহ রায়// বাংলা গল্প// নতুন গল্প// Bengali Story//New Bengali Story//বসন্তের গল্প।

 খবরের কাগজে চোখ বোলাতে বোলাতে প্রতুল বাবুর হঠাৎই চোখ পড়লো তাঁর স্ত্রী রুক্মিণীর উপর। রোদ ঝলমলে বসন্তের এই সকালটারই মত সেও যেন এই পঞ্চাশ ঊনপঞ্চাশ বছর বয়সেও ঝলমল করছে। তার চেহারায় নেই এতোটুকু ক্লান্তি-বিরক্তি এমনকি একাকিত্বের ছাপটুকুও। যেমন বিয়ের প্রথম প্রথম লাগত তাকে আজ যেন ঠিক তেমনটাই লাগছে। প্রাণবন্ত শান্ত কোমল সুশীল। আনমনে ব্যালকনিতে থাকা তার শখের ফুল গাছগুলোকে পরিচর্যা করছে সে। এটাই তার সারাদিনের রুটিনের মধ্যে অন্যতম এক কাজ এখন। বাড়িতে মানুষ বলতে তিনি আর রুক্মিণী। ছেলে চাকরি সূত্রে বাইরে থাকে বৌমা আর নাতনিকে নিয়ে। মেয়ে দুটো ব্যস্ত যে যার সংসারে। বড্ড অবাক লাগে তাঁর রুক্মিণীকে দেখে! কিভাবে সে ভালো থাকে একা একা? চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের এই তিন মাস হল এতেই যেন হাঁপিয়ে উঠেছেন তিনি খাঁ খাঁ এই বাড়িটাতে থাকতে থাকতে। আগে কাজের চাপে কেবলই মনে হতো বাড়ি থাকলে বোধহয় ভালো থাকা যেত কিন্তু এখন তাঁর আর ভালো লাগছে না। তবুও সকালে মর্নিং ওয়াকে যাচ্ছেন, বিকেলে চায়ের দোকানে। আর রুক্মিণী তো একদমই বার হয় না ঘর থেকে। সারাদিন ঘরের কাজ করতে থাকে। কি করে পারে ও? কৌতূহলটা মেটানোর জন্য গেলেন ত...

, বাংলা মোটিভেশন// Bengali Motivation//Bengali Motivational Quotes//Quotes//Bangla Quotes//Bangla Kobita//

ছবি
 আমাদের জীবনটাও ঠিক মাঝ নদীতে থাকা পাল তোলা ওই নৌকাটার মতো। যেতে চাই একদিকে হাওয়ার তোড়ের মতো পরিবেশ পরিস্থিতির চাপে চলে যাই অন্য দিকে। মাঝেমধ্যে তো এমন মনে হয় লক্ষ্যে পৌঁছে গেছি ওই তো দেখা যাচ্ছে এক পলকের ব্যবধান হঠাৎ করে কোথা থেকে একটা ঘুর্নিঝড় এসে ওলোটপালোট করে দিয়ে যায় সবকিছু। এই ভালো আছি ভাসছি মনের আনন্দে অমনি একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন মেঘময় আকাশ এসে হাজির হয়ে ডুবিয়ে দিয়ে যায় বিষাদের সমুদ্রে। কখন যে কি হয় তার কোনো নিশ্চয়তা নেই....  ভাসতে হয় তাই ভাসছি..... #রূপবালা_সিংহ_রায়....🖋️©️ quotes #lifequotes #motivation #motivationalquotes #quoteoftheday #banglagolpo #golpo #followers #story #everyoneシ゚ #poem #banglakobita #everyonehighlightsfollowers #sanjhbatirrupkothay #motivational #banglaquotes #banglapoem #kobitapoem #banglacalligraphy #bengaliwriters

ভালোবাসা কারে কয় // বাংলা গল্প // Bangla Golpo // Bengali Story // New Bengali Story //Notun Bangla Golpo//Premer Golpo ।

ভালোবাসা কারে কয়?  রূপবালা সিংহ রায়  সেদিন বাবার উপর খুব রাগ হয়েছিল অঙ্কনার। সেই সঙ্গে হয়েছিল খুব অভিমান ও। দুঃখে কষ্টে মনে হচ্ছিল এ জীবন না থাকলেই বোধ হয় ভালো হতো। নিজেকে শেষ করে দিতে পারলে নিস্তার পাওয়া যেত এসবের হাত থেকে। কিন্তু পায়নি সে নিস্তার। বাবার কথা মতো বসতে হয়েছিল বিয়ের পিঁড়িতে, বাবার পছন্দ করা ছেলেকে বিয়ে করার জন্য। বাধ্য হয়েছিল অন্য একজনের গলায় মালা পরাতে তা না হলে বাবার ফটোতে যে মালা ঝুলত। হঠাৎ করে ধেয়ে আসা সুনামির মত তার স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে গিয়েছিল চোখের নিমেষে। অবশিষ্ট ছিল চোখের জল আর ঋষির সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো। ভেঙে গিয়েও যেন কোথাও একটু অবশিষ্ট ছিল তার সঙ্গে সংসার গড়ার স্বপ্নগুলো, তারা যে মরে গেয়েও মরে না। বাবা কি করে পারলো এমনটা করতে তার সঙ্গে, আজও তা মাথায় ঢোকে না তার। তাই তেমন একটা আর সে যেতে চায়না সেবাড়িতে। দুঃখে কষ্টে অভিমানে গুমরে গুমরে মরে প্রতিটা মুহূর্ত। আজ ছয় মাস অতিক্রান্ত তার বিয়ে হয়েছে সবুজের সাথে। ছেলেটা মন্দ নয়। বেশ শান্ত প্রকৃতির। একজন স্বামীর মধ্যে যা যা গুণ থাকা উচিত সবই আছে তার মধ্যে, বেশি বই কম নয়। তবুও স...

Bangla Motivation//Motivational Quotes//Quotes//Bengali Quotes//Bangla Kobita//Quotes Of The Day//বাংলা মোটিভেশন/মোটিভেশন।

দিন শেষে নিজের ভালো থাকাটা সবসময় নিজেকেই দেখতে হয়। কেউ কিন্তু সেটা দেখে দেয় না। কি বিশ্বাস হচ্ছে না? ঠিক আছে তাহলে একটা উদাহরণ দেওয়া যাক । তুমি তোমার পরিবারের জন্য যে কাজগুলো করো বা যে যে দায়িত্ব গুলো পালন করো সেগুলো পরপর কদিন করা বন্ধ করে দাও তখন দেখবে কে তোমায় আগের মত ভালো রাখছে বা মূল্য দিচ্ছে ? কারো কারো ক্ষেত্রে তো কদিন লাগেই না পান থেকে চুন খসলেই গেল তার সারাটা দিন। তাই বলি, নিজের ভালো থাকাটা সবসময় নিজের হাতেই রাখা শ্রেয়। #রূপবালা_সিংহ_রায়....🖋️©️ #quotes #motivation #quoteoftheday #motivationalquotes #bengaliwriters #kobitapoem #bengalipoetry #sanjhbatirrupkothay #everyoneシ゚ #everyonehighlightsfollowers

Bengali Story//Bangla Golpo//বাংলা গল্প //গল্প//বাংলা ছোট গল্প// Bengali Short Story ।

খুব খুশি ছিল সেদিন মামন। খুশি ছিল তার বাবা আর ঠাম্মামও। খুব সুন্দর করে বেলুন দিয়ে সাজিয়েছিল ঠাম্মাম পুরো বাড়িটাকে। ভাই আসবে যে, তার জন্য। বাবা গতকাল রাতে মাকে নিয়ে গেছে হাসপাতালে। খেতে খেতে হঠাৎ করে মা চিৎকার করে ওঠে। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে। খুব ভয় পেয়ে যায় মামন। বাবা তড়িঘড়ি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে মাকে নিয়ে চলে যায়। মামনকে ছল ছল চোখ নিয়ে দুশ্চিন্তায় জড়সড় হয়ে বসে থাকতে দেখে ঠাম্মাম বলে -- ধুর পাগলী, এতে এত ভয় পাওয়ার কি আছে? দু-একদিনের মধ্যেই মা বাড়ি ফিরে আসবে ভাইকে নিয়ে। -- ভাইকে নিয়ে আসবে! সত্যি বলছো ঠাম্মাম! আনন্দে জড়িয়ে ধরে সে তার ঠাকুমাকে। বয়স বারোর কাছাকাছি, তাই আগে থেকেই জানতো সবকিছু। মনের মধ্যে এক আলাদা আনন্দ কাজ করছিল এই আট মাস ধরে তার। সবকিছু পরিকল্পনাও করে রেখেছিল। ভাই আসলে ওকে কোলে নেবে, স্নান করাবে, খাওয়াবে, ওর সাথে খেলা করবে, বেড়াতে যাবে। ও একটু বড় হলে পড়াবে আবার একসাথে স্কুলেও যাবে। দিনরাত চোখের সামনে কেবল ভাসতো এসব। পরদিন সকাল সাতটা নাগাদ ঠাম্মামকে বাবার সঙ্গে কথা বলতে দেখে সে কেমন যেন বুঝতে পারছিল কিছু একটা গন্ডগোল তো হয়েছে। ঠাম্মামের হা...