পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আর্জি - রূপবালা সিংহ রায় // Arji by Rupbala Singha Roy //পুজোর কবিতা// দুর্গা পূজার কবিতা।

  আর্জি রূপবালা সিংহ রায়  শোন নারে মা আর্জি আমার  জানাই তোর ওই দুচরণে,  একটু খানি 'বল দিয়ে যা  ধরার সকল মেয়ের মনে। শক্তি দে মা শক্তিময়ী  তোরই মত বাহুর মাঝে, তাই দেখে অসুরগুলো  পালায় যেন ভয়ে লাজে।  চোখ না তুলে দাঁড়াতে পারে  পড়ুক তাতে ধুলো বালি,  পঙ্গু হয়ে থাকুক পড়ে  লাগুক মুখে চুন আর কালি। বল দেখি মা তারা কি হয়  এমনি এমনি ছাড়ার যোগ্য? মেয়ে মানুষ যাদের কাছে  'মানবী নয় কেবল ভোগ্য! আর নারে মা, চুপটি করে  মূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে দেখ!  এবার ওই অসরগুলো সত্যি সত্যি শাস্তি পাক....

চলো পাল্টাই - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প // নতুন বাংলা গল্প // পুজোর গল্প।

চলো পাল্টাই  রূপবালা সিংহ রায়   --কিরে চল তৈরি হয়ে নে তাড়াতাড়ি। বের হব, দেরি হয়ে যাচ্ছে তো! কি হলো কি? ওঠ! বন্ধ কর এবার টিভিটা। আমি কিন্তু রেডি, পাপাও প্রায় তৈরি। আর তুই এখনো বসে বসে টিভি দেখছিস! ওঠ হল টা কি বলতো তোর? যাবি না ঠাকুর দেখতে?  এতক্ষণে বেশ ঝাঁঝালো স্বরে উত্তর দিল জিষ্ণু তার মাকে -- না, যাব না তোমরা যাও... -- আশ্চর্য! কি হলো টা কি তোর? ওঠ বলছি বলে টিভির রিমোটা নিয়ে তার মা কামিনী টিভি টা বন্ধ করতে গেলে রীতিমতো চিলের মতো দৌড়ে গিয়ে টিভি রিমোটটা ছিনিয়ে নেয় সে মায়ের হাত থেকে। তা দেখে তার বাবা এসে বলে -- কি হলো রে বাবু, যাবি না ঠাকুর দেখতে?  এবার একটু নরম হলো জিষ্ণু। ছল ছল চোখ নিয়ে নরম স্বরে সে বলল -- না যাব না আমি ঠাকুর দেখতে। আমি তো বলেছিলাম এবার পূজোতে আমার স্মার্ট ওয়াচ চাই। তুমিও চেয়েছিলে দিতে কিন্তু মাম্মাম দিতে দিল না! বলল -- বার্থ ডেতে যে ঘড়িটা পেয়েছিস সেটা পরিস। আচ্ছা পাপা তুমি বলো না মা জানে স্মার্টওয়াচের কত ফিচারস আছে? তুমি জানো আমার ফ্রেন্ড রাতুলের আছে স্মার্টওয়াচ। ওখান থেকে কল রিসিভ করা যায় ভিডিও গেম খেলা যায় আরো অনেক কিছু ক...

ন্যায় বিচার - রূপবালা সিংহ রায় // Nay Bichar by Rupbala Singha Roy // Bengali Poetry // Pujor Kobita // Poetry On Durga Puja.

ছবি
  ন্যায় বিচার রূপবালা সিংহ রায় ওই শোনা যায় পদধ্বনি শিউলিতে নয় কাশেতে নয়, মায়ের সাথের অসুরটাও মাকে দেখে পাচ্ছে যে ভয়! লক্ষ্মী-সরো-গনশা-কেতো সবাই তারা জড়োসড়ো, জিগায় তারা পরস্পরে এ কোন মা বলতে পারো? কেউ জানে না মায়ের কেন এমন তর ভয়াল রূপ? দিশা না পেয়ে যে যার মতো সবাই তারা আছে চুপ! ক্রোধের চোটে আগুন ঝরে দু চোখে বয় রক্ত ধারা, জানে না কেউ কেমন ভাবে মাকে এমন রাগালো কারা? ভাবছে বসে সরস্বতী হচ্ছে বুঝি তারই ফলে, ভোর রাতে সেই মেয়েটাকে যারা সবাই মেরে ফেলে। লক্ষ্মী ভাবে অনটনে অত্যাচারের বলি হয়ে, লাঞ্ছনা আর অপমানে গুমরে মরে ওই যে মেয়ে। গনেশ ভাবে দিশেহারা বাধার পরে বাধা সয়ে সমস্যারা যে মেয়েটার জীবন থেকে যায় না বয়ে। স্কন্দ ভাবে বিজয় পেতে যে মেয়েটার জীবন যায়, কিংবা সে ভয়ের পথে একটুখানি সাহস চায়। অসুর সেও ভাবতে থাকে মর্ত্যের সব অসুর নিয়ে, আবার বুঝি মারবে অসুর এবার উমা মর্ত্যে গিয়ে। সবাই চায় রাগুক মা ধ্বংস করুক অত্যাচারে, সাজা পাক দুষ্টু সবাই মায়ের করা ন্যায় বিচারে। durga puja notun kobita durga puja special notun kobita durga puja special notun bangla kobita, durga puja...

মায়ের আঁচল - রূপবালা সিংহ রায় // Mayer Anchol by Rupbala Singha Roy // Pujor golpo // Durga Puja special story

  মায়ের আঁচল  রূপবালা সিংহ রায়  পুজো মানে আনন্দ, একরাশ ভালোলাগা আর মন উৎফুল্লে ভরে ওঠা। কিন্তু সেটা এখন আর হয়না দে বাড়িতে। আজ থেকে প্রায় বারো বছর আগে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা আজও তাদের মনকে বিষন্ন করে দিয়ে যায়। যদিও এত বছরে বাড়ির সবাই প্রায় ঘটনাটা ভুলে গেছে কিন্তু ভুলতে পারেনি একমাত্র বিমলা। আর ভুলবেই বা কি করে সে যে মা। আগে তার সংসারে ছিল স্বামী, দুই ছেলে মেয়ে আর শাশুড়ি। সময়ের হাতছানিতে শাশুড়ি মা এখন না ফেরার দেশে। আর মেয়ে, তার যে কি অবস্থা তা সে নিজেও জানে না। ছেলের বিয়ে দিয়েছে। এখন সংসারের প্রায় পুরো হাল বৌমার হাতে। দুই নাতি নাতনি আছে। তাদের নিয়েই বেশ সময় কেটে যায় তার। তবুও পুজো এলে কেন যে তার মনটা বিষাদে ভরে ওঠে সে তা নিজেও বুঝে উঠতে পারে না। তখন আর কারো সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করে না তার। খাবার গলা দিয়ে নামতে চায় না। শুধু ঘরের কোণে বসে থাকে সে অবিরাম অশ্রু ধারা নিয়ে। প্রথম প্রথম সবাই সান্তনা দিলেও এখন আর কেউ সেসবের ধার ধারে না।স্বামীটা আসে মাঝেসাঝে আর একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে চলে যায় নিজের কাজে। এই জন্য বোধহয় সবাই বলে সুখের সাথী সবাই হয় কিন্তু দুঃখ...

শরৎ - রূপবালা সিংহ রায় // Sorot Kobita // Durga Puja Kobita// পুজোর কবিতা // দুর্গা পূজার কবিতা।

ছবি
  শরৎ রূপবালা সিংহ রায়  আকাশে বাতাসে মধুর গন্ধ ,                     আগমনী সুর ভাসে । শান্ত শীতল বাতাস এসে ,                    দোলা দিয়ে যায় কাশে ।। কচি ধানক্ষেত সবুজে সবুজ ,                     চোখ জুড়িয়ে যায় । নব কিশলয়ে শ্যাম বনানী ,                     আকাশ পানে ধায় ।। শরৎ আকাশে পেঁজা তুলো মেঘ ,                     পাড়ি দেয় দূর দেশ .... যেন মনে হয় মেঘ বালিকা ,                     এলিয়ে তার কেশ ।। শিউলি তলা সাদায় সাদা ,                     মধুর গন্ধে ভরা । অতি মনোরম সাজ-সজ্জায় ,                     বধু সেজেছে ধরা ।। durga puja special bengali poetry // durga puja spec...

দুর্গা থাকে - রূপবালা সিংহ রায় // দুর্গা পূজার কবিতা // পুজোর কবিতা // দূর্গা পূজার কবিতা // Durga Puja Kobita ।

ছবি
  দুর্গা থাকে  রূপবালা সিংহ রায়  দুর্গা থাকে ইঁটের ভাটায়  খাদান থাকে পাহাড় চূড়ায়, দুর্গা হাঁটে বস্তা কাঁধে  পথের ধারে কাগজ কুড়ায়! দুর্গা থাকে রান্নাঘরে  স্কুল থেকে অফিস ঘরে,  দুর্গা হাঁটে হাসপাতালে  আসছি বলে স্টেথো ধরে ... দুর্গা থাকে আদালতে  যত্রতত্র এই ভূলোকে,  এতকিছুর পরেও তাকে  কথা শোনায় ধরে লোকে! দুর্গা থাকে বাপের ঘরে  বধূবেশে স্বামীর ঘরে,  রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকলে  দুষ্ট যে তার হাতটি ধরে...  দুর্গা থাকে ধানের ক্ষেতে  বসিয়ে খাওয়ায় আসন পেতে,  মাতৃ রুপে সন্তানেরে  লালন করে ওই দু হাতে। দুর্গা থাকে অন্ধ কূপে  আলোর মাঝে জ্যোতি রূপে,  ধরার সকল নারীর মাঝে  দুর্গা বাঁচে সৃষ্টি রূপে।  durga puja special bengali poetry // durga puja special bangla poem//durga pujor kobita 2025//দুর্গা পুজোর কবিতা আবৃত্তি //bengali poetry on durga puja //পুজোর কবিতা আবৃত্তি // pujo special bengali poetry //pujo special bangla kobita //bengali poem on durga puja

কথা - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প // পুজোর গল্প ।

কথা  রূপবালা সিংহ রায়   অ্যালার্মটা বাজতেই ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে সাত তাড়াতাড়ি বিছানায় উঠে বসল আরশি। আজ পঞ্চমী আজ যদি একবার ওবাড়ি থেকে ঘুরে আসা না যায় তবে বাবা মাকে তাদের জামা কাপড়গুলো কবে দেব! এদিকে কাজের এত চাপ যে আজ যাই কাল যাই করে যাওয়াই হচ্ছে না তার। সারা বছরের মধ্যে পুজোর সময়টাতেই তো জামা কাপড়ের দোকানে কাস্টমার বেশি আসে। যদিও দুজন - হেল্পিং হ্যান্ড রয়েছে তুবও তাদের ওপর পুরো দায়িত্বটা ছাড়তে কেমন যেন একটা হয় তার। এত সাধের দোকান তার, কম তো পরিশ্রম করতে হয়নি এই জায়গায় আসার জন্য। শুধু তো পরিশ্রম নয় কথাও কম শুনতে হয়নি! না পরে শোনায়নি, কথা শুনিয়েছে নিজের লোকেরাই। শ্বশুর শাশুড়ি এমনকি তার স্বামী হেমন্তও। মেয়েদের এই এক জ্বালা! কিছু না করলেও যেমন কথা শুনতে হয় তেমনি কিছু করতে গেলেও শুনতে হয় কথা। তুমি যাই করো না কেন কথা তোমায় শুনতেই হবে! তাই তো সবার থেকে লুকিয়ে শুরু করেছিল ব্যবসাটা। নিজের জমানো কিছু পুঁজি দিয়ে। প্রথমে শুরু করেছিল কয়েকটা নাইটি আর বাচ্চাদের জামা কাপড় দিয়ে। বাড়ি থেকেই করত কাজটা। পরিচিতদের বলত ব্যস। এই পদক্ষেপটা হয়তো কোনদিনই নেওয়া হতো না তার। নিতে বাধ...

দোসর - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প // নতুন বাংলা গল্প

  দোসর  রূপবালা সিংহ রায়  -- বেরিয়ে যাওয়ার বাড়ি থেকে  -- হ্যাঁ হ্যাঁ তাই যাব। ঠেকা নিয়ে বসে আছি তো আমি।ষ তোমার। চলেই যাব.... বয়েই গেছে আমার এখানে থাকতে এত অপমান সহ্য করে ! অনেক করেছি আর না।  তারপর কি হলো জানা নেই তপন আর খুঁজে পাচ্ছে না বিশাখাকে। তন্ন তন্ন করে খোঁজা হয়ে গেছে সব জায়গা। কোথাও নেই সে। এমনকি বাপের বাড়ি পর্যন্ত যায়নি। কোথায় গেল সে? রাগের মাথায় কোনো অঘটন ঘটালো না তো ভাবতেই বুকের মধ্যেটা ছ্যাঁত করে উঠলো তার। নিজেকে নিজেই বকুনি দিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত। একদম না, একদম উল্টোপাল্টা ভাবা যাবে না। আছে কোথাও আশেপাশেই । আমারই দোষ। কেন যে বলতে গেলাম কথাটা! রাগ হলে আর যেন হুশ থাকে না আমার । কি যে বলি নিজেই বুঝতে পারি না। আমার বোঝা উচিত ছিল ওই কথাটা শুনে যে মানুষটা নিঃশব্দে ছল ছল চোখ দুটো নিয়ে সামনে থেকে সরে যায় সে কেন অমন ভাবে চলে যাওয়ার কথা বলল? কেন যে তখন বুঝতে পারলাম না আমি কথাটা? ইচ্ছা করছে নিজের দুগালে কষিয়ে দিই দুটো থাপ্পড়। কি করবো এখন? হে ঈশ্বর তুমি ওকে ফিরিয়ে দাও আমার কাছে। কোথায় তুমি বিশাখা?  দূরে রেললাইনের কাছে কতগুলো মানুষ জড়ো হয়ে...

শিক্ষার ফেরিওয়ালা - রূপবালা সিংহ রায় // Teachers Day Story // Bangla Golpo // Bengali Story

  শিক্ষার ফেরিওয়ালা রূপবালা সিংহ রায়  "শিক্ষা চাই শিক্ষা....  শিক্ষা চাই শিক্ষা....  নানান রকমের শিক্ষা... ছোটদের জন্য শিক্ষা। বড়দের জন্য শিক্ষা। মানুষ হওয়ার শিক্ষা। জীবনে বড়ো হওয়ার শিক্ষা। মহান হওয়ার শিক্ষা। ধনী-গরিবের শিক্ষা। জাত-পাতের শিক্ষা। শিক্ষা নেবে গো শিক্ষা"..... কাঠফাটা রোদ্রে শিক্ষার বৃদ্ধ ফেরিওয়ালা হেঁটে চলেছে শিক্ষা বিক্রি করতে। পথে-পথে, অলিতে-গলিতে, দেশ থেকে দেশান্তরে। আজ এই শিক্ষিত অত্যাধুনিক বিশ্বে শিক্ষার বড়ই অভাব যে! চেঁচাতে চেঁচাতে গলা শুকিয়ে কাঠ। কেউ আর শিক্ষা কিনতে চায় না, সবাই শিক্ষিত যে! ঘুরতে ঘুরতে হাঁটার শক্তিটাই যেন চলে গেছে তার। পা আর উঠতেই চাইছে না। তবুও কিছুটা হেঁটে কিছুটা বসে ফেরি করে বেড়াচ্ছে সে। একটাও শিক্ষা বিক্রি হয়নি যে। পথের পাশে গাছের নিচে বসে থাকা কয়েকজন মানুষকে দেখতে পেয়ে গেল তাদের কাছে। বলল - "শিক্ষা নেবে শিক্ষা? আমার কাছে অনেক রকম শিক্ষা আছে। কার কোনটা চাই বলো? আমি দিয়ে দেব"।  এক বৃদ্ধ মা বললেন -"আর কত শিক্ষা নেব বল দেখি! ছেলেকে বড় করার জন্য না খেয়ে দেয়ে ওকে বড় স্কুলে ভর্তি করিয়েছি। নিজেরা ভালো জামা...

স্যারের কথা - রূপবালা সিংহ রায় // Teachers Day Story // Happy Teachers Day ।

  স্যারের কথা  রূপবালা সিংহ রায়  আজ বারবার একজনের কথাই মনে পড়ছে অনির্বাণের। আর তার কথা ভাবতেই অজানা এক প্রশান্তি দোল দিয়ে যাচ্ছে তার সমগ্র হৃদয় জুড়ে। হয়তো মানুষটা আজ আর তাঁর সাথে নেই কিন্তু তাঁর অস্তিত্ব তাঁর সেদিনের সেই কথাগুলো আজও যেন ঠিক তেমনভাবেই কানে বাজে। ইচ্ছা করছে চেঁচিয়ে বলতে যে -- স্যার, আপনি সেদিন ঠিকই বলেছিলেন। -- ভাবতে ভাবতে চোখ দুটো জলে পরিপূর্ণ হয়ে উঠলো তার। জলে ভেজা চোখ দুটো তাকে ভাসিয়ে নিয়ে গেল আজ থেকে প্রায় সতেরো বছর আগে জীবনে। জলে থৈথৈ কলকাতার অলিগলি । ঝমঝম করে মুষলধারায় বৃষ্টি পড়ছে। সবাই যে যার মত নিজের মাথা বাঁচাতে ব্যস্ত। কেউ দৌড়ে রিক্সা ধরছে তো কেউ স্কুল জুতো দুটো হাতে নিয়ে প্যান্টটা হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে অতি সন্তর্পণে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে। স্কুল গেট থেকে বেরিয়ে মেইন রাস্তায় যাওয়ার একটা মাঝারি রাস্তা আর একটা সরু গলি। গলিটা অপেক্ষাকৃত নিচু হয় জল বেশি জমেছে। তাই সবাই রাস্তা ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এটাই সুযোগ স্কুল ফেরত সদ্য কিশোর প্রেমী যুগলের হাতে হাত ধরে হাঁটার আর দুচোখ ভরে স্বপ্ন দেখার। তাদের মধ্যে একজন ছিল অনির্বাণ। হঠাৎ ক...

সবার আমি ছাত্র – সুনির্মল বসু // Sobar Ami Chatro // Teachers day poem

ছবি
  সবার আমি ছাত্র – সুনির্মল বসু আকাশ আমায় শিক্ষা দিল             উদার হতে ভাই রে, কর্মী হবার মন্ত্র আমি             বায়ুর কাছে পাই রে। পাহাড় শেখায় তাহার সমান- হই যেন ভাই মৌন-মহান, খোলা মাঠের উপদেশে- দিল-খোলা হই তাই রে। সূর্য আমায় মন্ত্রণা দেয়             আপন তেজে জ্বলতে, চাঁদ শিখাল হাসতে মিঠে,             মধুর কথা বলতে। ইঙ্গিতে তার শিখায় সাগর- অন্তর হোক রত্ন-আকর; নদীর কাছে শিক্ষা পেলাম             আপন বেগে চলতে। মাটির কাছে সহিষ্ণুতা             পেলাম আমি শিক্ষা, আপন কাজে কঠোর হতে             পাষান দিল দীক্ষা। ঝরনা তাহার সহজ গানে, গান জাগাল আমার প্রাণে;       শ্যাম বনানী সরসতা            আমায় দিল ভিক্ষা। বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর,            সবার আমি ছাত্র, নানান ভাবে নতুন জিনিস     ...

আসুক ফিরে হাতের লাঠি - রূপবালা সিংহ রায় // Teachers day poem// Teachers day poetry // Teachers day kobita ।

ছবি
  আসুক ফিরে হাতের লাঠি রূপবালা সিংহ রায়  আসুক ফিরে হাতের লাঠি, বেতটা আসুক ফিরে দূরের থেকে দেখলে তাঁকে ভয়টা ধরুক ঘিরে। আসুক ফিরে দিদিমনির ধমক কড়া স্বরে, বকুনিরা কান ধরারা আবার আসুক ফিরে।  বাবা-মাও শক্ত হোক অন্ধ স্নেহ ভুলে,  ভুল করলে কানটা যেন একটু যায় মুলে‌। আসুক ফিরে শাস্তি টুকু আবার সবার মাঝে  অন্যায়টা করলে পরে বা ভুল হলে কোনো কাজে। ভয়টা থাকা ভীষণ ভালো ভবিষ্যতের তরে, তাহলে ছেলে দোষ করে আর ফিরবে নাকো ঘরে। কথায় কথায় তর্ক করে বলবে না কড়া কথা,  হয়তো তখন কাউকে তারা দেবে না  আর ব্যথা। teachers day poem in bengali teacher's day poem in bengali ,teacher's day poem,teachers day poem,teacher's day poetry ,teachers day poetry,teacher's day kobita ,teachers day kobita,teachers day ,শিক্ষক দিবসের কবিতা,5th september kobita,বাংলা কবিতা আবৃত্তি,chotoder kobita,akash amay shikkha dilo bangla poem,akash amay shikkha dilo kobita,শিক্ষক দিবসের কবিতা আবৃত্তি,

মানুষ চেনা ভীষণ দায় - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প// নতুন বাংলা গল্প।

মানুষ চেনা ভীষণ দায়  রূপবালা সিংহ রায়   -- কিরে মায়ের শরীর ঠিক হয়নি এখনো? -- হ্যাঁ হয়েছে কিন্তু এত বাড়ির কাজ একা সব করে উঠতে পারছে না তাই আমাকে পাঠিয়ে দিল। -- ও অন্য বাড়ি যেতে পারছে আর আমার বাড়ি আসতেই যত অসুবিধা । তা বেশ ভালো! তোর মাকে বলে দিস আমি আর তোদের দিয়ে কাজ করাবো না। কাল এসে যেন টাকা পয়সা যা পায় হিসেব নিকেশ করে নিয়ে যায়। -- মা পুরোপুরি ঠিক হয়ে গেলেই চলে আসবে কাকিমা বলতে গিয়েও বলতে পারল না রিংকি। অনামিকার মোটা মোটা চোখ দেখে থেমে গেল সে। থালাবাসন গুলো ধুতে ধুতে চোখ দুটো ছল ছল করে উঠলো তার। মা ঠিকই বলে - বড় লোকেরা এমনই হয়। এদের মায়া-দয়া বলে কিছু নেই। আর এই কাকিমার তো একদমই নেই। মা কি করে আসবে এত দূর? সবেমাত্র জ্বর থেকে উঠল। আমি একা সব বাড়ির কাজগুলো করতে পারি না বলেই না মা কাছাকাছি বাড়ির কাজগুলো করে.. -- কিরে এভাবে কেউ বাসন মাজে। এই বাসনে খাবার খেলে তো পেট খারাপ করবে। তোর মা'টারও বলিহারি বুদ্ধি! বুদ্ধি করে মেয়েকে পাঠিয়ে দিল! সেই যদি আমাকেই ধুতে হয় তাহলে মেয়েকে পাঠালো কেন ? আর পাঠাবেই না কেন মাসের মাইনেটা যে নিতে হবে ! চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে অনামি...