পোস্টগুলি

মে, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ফেরত - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প // জামাইষষ্ঠীর গল্প // জামাইষষ্ঠী।

  ফেরত রূপবালা সিংহ রায় সকাল থেকেই দত্ত বাড়িতে শুরু হয়ে গেছে রান্না বান্নার ধুম। কি নেই মেনুতে! ডাল, পাঁচ রকমের ভাজা, মাছ, মাংস, ইলিশের পাতুরি, চাটনি, পাঁপড়,পায়েস, আরো কত কি! রান্না করতে করতে খুব রাগ হচ্ছে শেফালির। মাথাটা পুরো খারাপ হয়ে গেছে বুড়ো বুড়ির! তা না হলে এত রান্না কিসের জন্য? আর কেইবা খাবে এতকিছু? আর হবেই না বা কেন? অত বড় বিয়ের যোগ্য মেয়ে যখন আত্মহত্যা করে তখন কোন মা বাবারই বা মাথার ঠিক থাকে! মনু মাসির কাছ থেকে কথাটা শুনে তো প্রথমে বিশ্বাসই করে উঠতে পারেনি শেফালি। এ বাড়িতে আগে মনু মাসিই রান্নার কাজটা করত। মনু মাসি শেফালির গ্রামেই থাকে। এ বাড়ির মেয়েটা অপঘাতে মরার পর কেমন যেন ভয় ভয় করত মনু মাসির। বয়স হয়েছে তো তাই আর অত সাহসে কুলায় না। তার ওপর নিজের চোখে যখন তাকে ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখেছে তখন তো যে কেউই ভয় পাবে। তাই সে কাজটা দিয়ে দেয় শেফালীকে। শেফালিরও সুবিধা হয় দুটো মানুষের রান্না আর কতটুকু। তার ওপর একজন সুগারের রোগী তো অন্য জন জন প্রেসারের। এই খায়না ঐ খায় না, তাই রান্নার ঝক্যিটাও কম। সেই জন্য সেদিন কথা দিয়ে এসেছিল অন্য বাড়িটাতে তাড়াতাড়ি যাবে। ত...

সেই জীবন রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প // , বাংলা ছোট গল্প।

  সেই জীবন - রূপবালা সিংহ রায় সকাল থেকেই পড়ছে অঝোরে বৃষ্টি। কখনো ঝমঝমিয়ে তো কখনো ঝিরিঝিরি করে। এমনিতেই স্কুলে গরমের ছুটি চলছে তাই বাইরে যাওয়ার দরকারও নেই। যখন রোজ চোখে চশমা এঁটে শাড়ি পরে রাগী দিদিমনি সেজে স্কুলে যেতে হতো তখন খুব খারাপ লাগতো মহুয়ার। কিন্তু এখন এতো দিন ছুটি পেয়ে মাঝে মাঝে মনটা আবার যেতে চাইছে সেখানে । তাই শুধু দিন গুনছে কখন স্কুলটা খুলবে। মা বাবার সঙ্গে আর কত সময় কাটানো যায়। সারা দিনটা এদিক ওদিক করে কাটানোর পর সন্ধ্যেতে এক কাপ ধোঁয়া ওঠা গরম চা আর মায়ের হাতে বানানো পেঁয়াজি নিয়ে খেতে খেতে জানালা দিয়ে দেখতে লাগলো বাইরের দিকে। রাস্তা দিয়ে দুটো একটা গাড়ি পিঁকপিঁক আওয়াজ করে চলে যাচ্ছে নিজের নিজের গন্তব্যে। রাস্তার পাশে থাকা কৃষ্ণচূড়া গাছটা আগের থেকে বেশ বড়ো হয়ে রাস্তার মাঝ বরাবর ডালপালা ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সামনের বাড়িটার রং নীল থেকে কবে যেন হলুদ হয়ে গেছে। ওবাড়ির মাম্পি ছোট্ট ছেলেটাকে কোলে নিয়ে ঘরময় পায়চারী করছে আর খাওয়াচ্ছে। সেই মাম্পি যাকে কিনা কদিন আগে পর্যন্ত তার মা এমনি করে খাওয়াতো! বিচ্চুদের গ্যারেজে থাকা পুরাতন সাদা গাড়িটা চলে গিয়ে ত...

বিশ্বাস - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা কবিতা // Bangla Kobita// নতুন বাংলা কবিতা।

ছবি
  বিশ্বাস রূপবালা সিংহ রায় বিশ্বাস হলো কাঁচের মতো যেমনি স্বচ্ছ তেমনি ঠুনকো, একবার তা ভেঙে গেলে ফিরে পাওয়া আর যায় নাকো... যতই তাতে প্রলেপ লাগাও যতই করো জোড়ার চেষ্টা যতই ভাবো জুড়ে গেছে তবু থেকে যায় ক্ষত চিহ্নটা! বাংলা কবিতা বিশ্বাস

মা - রূপবালা সিংহ রায় // Maa - Rupbala Singha Roy // Bangla Golpo // Bengali Story // Happy Mother's Day।

  মা - রূপবালা সিংহ রায় Mother's day story Maa diboser golpo বিশ্বাস হয়নি সেদিন ফালতু লোকটার কথা। তাই ঝিলমিল ছুটে গিয়েছিল বাজে গলিটাতে। যথেষ্ট বয়স হয়েছিল তার সবকিছু বোঝার তাই কোনো উপায় না দেখে নোংরামি গুলোকে এড়িয়ে পা রেখেছিল সেই বাড়িটাতে, যেখান থেকে তার মা তাকে বের করে দিয়েছিল সেই ছোট্ট বয়সে। তখন তার বয়স তিন চার হবে। কেন মা বের করে দিয়েছিল তাকে? কেন তাকে তার কাছে নিয়ে যায় না? কেন মা তার সঙ্গে তেমন দেখা করতে যায় না? কিছুই মাথায় ঢুকতো না তার! শুধু মনে হতো মা পচা, মা খারাপ, মা আমাকে ভালোবাসে না। যদিও এই কথাগুলো মায়ের কাছে থাকার সময় থেকেই তার মনে গেঁথে গিয়েছিল। মা সব সময় তাকে একটা বদ্ধ ঘরে আটকে রাখতো। যখন সমগ্র গলিটা জুড়ে তারই মত বাচ্চাগুলো খেলা করে বেড়াতো তখন খুব খারাপ লাগতো তার। রাতের বেলাতেও না জানি মায়ের কি সব কাজ থাকতো তাই অন্ধকার ঘরটাতে একা একা রাত কাটাতে হতো তাকে। তারপর একদিন মায়ের সঙ্গে কার যেন ঝগড়া লেগে গিয়েছিল। কি নিয়ে তা জানা নেই তবে মা তাকে জোরে জোরে বলছিল -- না আমি মিশতে দেব না আমার মেয়েকে ওদের সঙ্গে। আমি চাই না আমার মেয়ে ওদের মতো করে বড় হোক ...

হ্যাপি মাদার্স ডে - রূপবালা সিংহ রায় //Happy Mother's Day // Bangla Golpo //Bengali Story ।

ছবি
  হ্যাপি মাদার্স ডে রূপবালা সিংহ রায় আর্মি পরিবারের গৃহবধূ যশোদা। স্বামী ভাসুর সবাই রয়েছে আর্মিতে। শ্বশুরমশাইও ছিলেন। এই জন্য পাড়ায় তাদের বিশেষ খ্যাতিও রয়েছে। তার একমাত্র ছেলে বিহানেরও ইচ্ছে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার। বাবা জেঠুর সঙ্গে সীমান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে সে তা দেখে সবাই তাকে সেলাম ঠুকছে, আর সে ঠুকছে তার দেশমাতৃকা ভারত বর্ষকে - এই স্বপ্ন দিন রাত তাড়া করে বেড়াতো তাকে সেই ছেলেবেলা থেকে। সবার তার সিদ্ধান্তে সম্মতি থাকলেও সম্মতি ছিল না তার মা যশোদার। সে যখনই তার মাকে বলতো সে দেশের সেবা করতে চায় তখনই তার মা বলতো দেশের সেবা করতে গেলে আর্মিতে যেতে হবে তার তো মানে নেই! ডাক্তার হ তুই তারপর বিনামূল্যে চিকিৎসা কর গরীব দুঃখী কে, তাও যদি না পারিস মাস্টার হ ও পড়া ছোট ছোট বাচ্চাদের তাদের মানুষের মত মানুষ করে তোল। আরো কিছু উদাহরণ দিতে গেলে বিহান তাকে থামিয়ে দিয়ে তার গলা জড়িয়ে ধরে। তখন চোখ দুটো ছল ছল করে ওঠে তার। সেই বিয়ের পর থেকে এক বুক ভরা উৎকণ্ঠা নিয়ে কাটিয়েছে সে এতটা বছর তার স্বামীর চিন্তায়। তারপর তার জীবনে আসে বিহান। তাকে নিয়েই তার সংসার। সেও যদি চলে যায় তার কি হবে! যদি...

মা - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা গল্প // বাংলা ছোট গল্প // নতুন বাংলা গল্প / মা দিবসের গল্প।

মা - রূপবালা সিংহ রায়  আজকাল বিরক্তি লাগে হনুমান টাকে দেখলে আশার। কদিন ওকে দেখে মনে সহানুভূতি জাগলেও আজকাল বড় ভয় হয় তার। ছেলেটা যদি কিছু করে দেয় সেই ভয়ে ঘরের বাইরে আনে না সে তাকে। পরপর পাঁচটা মেয়ের পর হয়েছে এই ছেলেটা। তার ওপর হনুমানটার এমন নজর পড়ল! তাই দেখে তাকে আর বাড়ি ঘেঁষতে তে দেয় না সে। বাড়ির মধ্যে ঢুকলেই তাড়া করে। মধ্যপ্রদেশের প্রতন্ত এক গ্রামে আশার বাস। চাষবাসই তাদের প্রধান জীবিকা। বাড়ির সামনে প্রকাণ্ড উঠোন আর সেটা পেরোলেই বিঘের পর বিঘে চাষের জমি একেবারে পাহাড়ের গা পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে। কি নেই সেখানে নানান রকমের মৌসুমী ফল ও শাকসবজি ভর্তি। সঙ্গে রয়েছে ভুট্টটাও। আর এই ভুট্টটাই হল হনুমানদের প্রিয় খাবার। তাই এই সময় দলে দলে হনুমান পাহাড়ের ওপর থেকে নিচে চলে আসে ভুট্টা ক্ষেতে। খাওয়ার থেকে নষ্ট করে বেশি। একদিন দুপুরবেলা সবে খেতে বসেছে সে ওমনি ক্ষেতে ঢুকেছে হনুমানের দল। যা যা বলে দৌড়ে এসে একটা লাঠি নিয়েছে তাড়াতে গেল সে তাদের। তাই দেখে পাশের বাড়ির কিছু লোকজনসহ বেরিয়ে এল তার বাড়ির লোকজন গুলোও। এতজনের তাড়া দেখে হনুমান গুলো দিশেহারা হয়ে এদিক-ওদিক করতে শুরু করল।...

কৃপণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর // Kripon Rabindranath Tagore // রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ।

ছবি
 কৃপণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমি ভিক্ষা করে ফিরতেছিলেম গ্রামের পথে পথে, তুমি তখন চলেছিলে তোমার স্বর্ণরথে। অপূর্ব এক স্বপ্ন-সম লাগতেছিল চক্ষে মম– কী বিচিত্র শোভা তোমার, কী বিচিত্র সাজ। আমি মনে ভাবিতেছিলেম, এ কোন্‌ মহারাজ। আজি শুভক্ষণে রাত পোহালো ভেবেছিলেম তবে, আজ আমারে দ্বারে দ্বারে ফিরতে নাহি হবে। বাহির হতে নাহি হতে কাহার দেখা পেলেম পথে, চলিতে রথ ধনধান্য ছড়াবে দুই ধারে– মুঠা মুঠা কুড়িয়ে নেব, নেব ভারে ভারে। দেখি সহসা রথ থেমে গেল আমার কাছে এসে, আমার মুখপানে চেয়ে নামলে তুমি হেসে। দেখে মুখের প্রসন্নতা জুড়িয়ে গেল সকল ব্যথা, হেনকালে কিসের লাগি তুমি অকস্মাৎ “আমায় কিছু দাও গো’ বলে বাড়িয়ে দিলে হাত। মরি, এ কী কথা রাজাধিরাজ, “আমায় দাও গো কিছু’! শুনে ক্ষণকালের তরে রইনু মাথা-নিচু। তোমার কী-বা অভাব আছে ভিখারী ভিক্ষুকের কাছে। এ কেবল কৌতুকের বশে আমায় প্রবঞ্চনা। ঝুলি হতে দিলেম তুলে একটি ছোটো কণা। যবে পাত্রখানি ঘরে এনে উজাড় করি– এ কী! ভিক্ষামাঝে একটি ছোটো সোনার কণা দেখি। দিলেম যা রাজ-ভিখারীরে স্বর্ণ হয়ে এল ফিরে, তখন কাঁদি চোখের জলে দুটি নয়ন ভরে– তোমায় কেন দিই নি আমার সকল শূন্য করে।   ...

Bangla Kobita//Bengali Motivation// Motivation Bangla//Quotes//Bengali Quotes//Bengali poetry ।

ছবি
  পরের খুঁত ধরতে সবাই লাগি উঠে পড়ে, নিজের খুঁত পড়ে না চোখে তাইতো ধরে পরে ...           রূপবালা সিংহ রায় .....🖋️ সময়ের গুরুত্ব আমরা কখন বুঝি জানো, তখন আমাদের হাতে কোনো সময় থাকে না যখন । কেবলমাত্র তখনই মনে হয় ইস্ সময়টাকে যদি ফেরত পেতাম আর হেলায় হারাতাম না এটাকে। নিজের মতো করে একটা দিনপঞ্জি বানিয়ে ফেলতাম। তাহলে অন্তত শূন্য হাতে নিয়ে আফসোস করে মরতে হতো না..... রূপবালা সিংহ রায় .....🖋️

বাবা - রূপবালা সিংহ রায়//বাংলা গল্প//Bangla Golpo//Bengali Story//Father's day story ।

  বাবা রূপবালা সিংহ রায় ঝড়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঝড়ের গতিতে বাইক চালাচ্ছে সুজিত। হাতে মস্ত একটা কেকের প্যাকেট। ঘড়ির কাঁটা নটা ছুঁই ছুঁই। এদিকে সন্ধ্যে থেকে শুরু হয়েছে ঝড় বৃষ্টি। মাঝে জোরে বৃষ্টি হওয়ায় বেশ দেরি হয়ে গেছে তার। কেক যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সেই কারণেই দাঁড়িয়ে গিয়েছিল একটু। কিন্তু সে আর কি মানুষ বোঝে! তারা বোঝে টাকা দিয়ে অর্ডার করেছি মানে তা সময় মত হাজির হওয়া চাই। এইতো আগের ডেলিভারিটা করতে গিয়ে কত কথাই না শুনতে হলো তাকে-- এত দেরি হল কি করে? বাচ্চাটা কতক্ষণ অপেক্ষা করে আছে ইত্যাদি ইত্যাদি... কথা শুনিয়েও শান্তি হলো না তাদের, রিভিউটা পর্যন্ত খারাপ দিল! পরেরটাতে কি হবে কে জানে! ওদিকে বাড়িতেও ফিরতে হবে। আজ আবার ছেলেটার জন্মদিন। যদিও ছোট্ট দেখে একটা কেক সে নিয়েছে তার জন্য। সেইসঙ্গে বউকে বলে এসেছে একটু চিকেন এনে রান্না করতে। ছেলেটা চিকেন খেতে খুব ভালোবাসে, ওটুকু হলেই ও খুশি। এরপর যদি কেকটা দেখে তো আনন্দে পাগল হয়ে নাচতে শুরু না করে ভাবতেই এক হালি হাসি ফুটে এলো তার মুখে। ইচ্ছা ছিল একটু তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার কিন্তু এই ঝড়টাই সব পন্ড করে দিল। অবশেষে গুগল ম্যাপ দেখ...

জীবন সহজ নয় - রূপবালা সিংহ রায় // বাংলা কবিতা // Bengali Quotes // Bangla Motivation ।

জীবন সহজ নয়  রূপবালা সিংহ রায়  জীবন না কোনো দিন সহজ ছিল, না এখন আছে, না ভবিষ্যতে হবে ..... জীবন মানেই যুদ্ধ। এখানে হাসির চেয়ে কান্না বেশি। পাওয়ার থেকে বেশি হারানো। আর সুখের থেকে বেশি অসুখ। তা আবার অনেক রকমের হতে পারে কারোর শরীরের তো কারোর মনের। কারো কারো আবার দুটোই রয়েছে। কোথাও যেন এতটুকু স্থিরতা নেই। ওই যে গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে শুরু করলাম তার আর কোনো শেষই নেই। শেষ করার জন্য যতই দৌড়াই আর ভাবি এই বুঝি শেষ কিন্তু হঠাৎ করে কোথা থেকে রাস্তাটা আবার সুদূরপ্রসারী হয় বুঝেই উঠতে পারিনা। এই যে দৌড়াচ্ছি এরও আবার নানান রকমের প্রকারভেদ রয়েছে- কেউ স্বপ্নের ছুটছে পেছনে তো কেউ হতাশার পেছনে। কেউ টাকার পেছনে তো কেউ আবার সুখের পেছনে। কেউ কেরিয়ারের পেছনে তো কেউ সংসারের পেছনে। কেউ ঠিক তো কেউ ভুলের। কেউ ভালোবাসার পেছনে তো কেউ ভালো বাসার পেছনে। কেউ চোখ খুলে তো কেউ কেউ আবার চোখ বন্ধ করে এর যেন কোনো বিরাম নেই। মহাকাশ জুড়ে যেমনি আমাদের পৃথিবীটা ঘুরে মরছে তেমনি আমরাও ঘুরে মরছি সমগ্র বিশ্ব জুড়ে.....